ব্রেকিং নিউজ

6/recent/ticker-posts

কলকাতায় ডেঙ্গু আক্রান্ত কিশোরের মৃত্যু

 Dengue-affected teenager dies in Kolkata

নিজস্ব প্রতিনিধি  , কলকাতা :  ২রা আগস্ট জ্বর নিয়ে বিশখ মুখোপাধ্যায় ভর্তি হয় বাইপাসের ধরে এক বেসরকারি হাসপাতালে । ওই দিন রাতে তার ডেঙ্গু টেস্ট হয়। ৩ তারিখ রাতে তার ডেঙ্গু পজিটিভ ধরা পড়ে। আজকে তার অস্বমিক মৃত্যু হয়েছে। যেটা খুবই দুঃখজনক বলে জানালেন মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য অতীন ঘোষ। তিনি জানান যে বেসরকারি হাসপাতালের মৃত্যু সংশপত্রে ডেঙ্গু শক বলে উল্লেখ করেছে । এই রিপোর্ট পাওয়ার পর কলকাতা পৌর সংস্থার প্রাথমিক  বিভাগীয় যে তদন্ত পাওয়া গেছে  ওই অঞ্চলে একটা উন্নয়নমূলক কাজ চলেছে। যেখানে স্বাস্থ্য বিভাগের ভেক্টর কন্ট্রোল টিম ও সেন্ট্রাল ভেক্টর কন্ট্রোল টিম কাজ করছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে শিশু ১২ বছরের মারা গেছে তার বাড়ির সামনে পৌর সংস্থার চিকিৎসা কেন্দ্র ছিল।

 কলকাতা পৌর সংস্থার পক্ষ থেকে বারবার মানুষ কে সচেতন করা হয়েছে। কিন্তু এই শিশু ক্ষেত্রে কোনো রকমের সূচনা স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। হাসপাতাল রিপোর্ট তাই বলছে। কারণ ৫ দিন পর শিশু কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বলে জানালেন মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য অতীন ঘোষ। এই ধরেনের ডেথ অডিট করে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। তাই সেই হাসপাতালের সমস্ত রিপোর্ট নিয়ে আসার জন্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে । রিপোর্ট পাওয়ার পর আগমিকালই এই রিপোর্ট স্বাস্থ্য দফতরের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানালেন মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য। 

 আগামী কাল চিফ ভেক্টর কন্ট্রোল অফিসার ঘটনাস্থলে যাবে। তার পরিস্তিতি খতিয়ে দেখবে। যদি কারোর গাফিলতি থাকে তাহলে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে এদিন জানান মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য অতীন ঘোষ। 

এদিন মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেন যে বর্ষাকালের এই সময় প্রাইম টাইম। ডেঙ্গু হবে না এটা বলা যাবে না। তিনি জানান  এই  শহরে অনেক পুরোনো বাড়ি আছে। যেখানে যাত্রা তত্র জল জমে থাকে । প্রয়োজনে স্থানীয় পুলিশের সাহায্য নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

 অতীন বাবু জানান যে এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে। মৃত্যু আগে কোনো অন্য কারণ ছিল কি না সবটাই খতিয়ে দেখা হবে। কলকাতা পৌর সংস্থার পক্ষ থেকে যা দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া সেটা নেওয়া হবে। মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য বিভাগ জানান যে অনেক ক্ষেত্র তাদের প্রতিবন্ধকতা আছে। অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বাড়ির কে খোলা সম্ভব হয়না। আর এই সব বন্ধ বাড়ির ভিতরে জল জমার ফলে ডেঙ্গু ম্যালারিয়ার মত মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ে ।  এই সমস্যা কলকাতা একটা ক্রনিক সমস্যা । স্থানীয় কাউন্সিলর কলকাতা পৌর সংস্থায় সঠিক ভাবে যে অভিযোগ করা দরকার ছিল। সেটা করেনি বলে জানান তিনি। তার যুক্তি যে স্থানীয় কাউন্সিলর হাউসে এই সমস্যা তুলেছেন ঠিকই। কিন্তু সঠিক বিভাগে এই সমস্যার কথা তিনি জানায়নি বলে এদিন পাল্টা অভিযোগ করেন স্বাস্থ্য বিভাগের মেয়র পরিষদ অতীন ঘোষ। উল্লেখ্য যে স্থানীয় কাউন্সিলর প্রবীর মুখোপাধ্যায় কিছু দিন আগেই পৌর অধিবেশনে কালীঘাটে স্কাইওয়াক এর জন্য জল জমার ফলে মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু তার সেই বিষয় ঠিক ভাবে দেখা হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে ডেঙ্গুতে এক শিশুর মৃত্যু দায় কার ?

Post a Comment

0 Comments